আমি সেই মহাত্মা
জানি কেউ কান পেতে শুনবে না হৃদয়ের হাহাকার, অসমাপ্ত উপন্যাসের মতই স্বপ্ন গুলো থেকে যাবে অপূর্ণ, ছেড়া কবিতার পাতার মতই অর্থহীন যত বেদনার সুর। জীবনের চাওয়া-পাওয়া গুলোর হিসাব না মিলিয়ে…
শব্দের ছন্দে মনের অনুভূতির প্রকাশ—প্রেম, প্রকৃতি, সময় ও জীবনের নানা দিক নিয়ে হৃদয়ছোঁয়া কবিতার এক অনন্য সংগ্রহ।
জানি কেউ কান পেতে শুনবে না হৃদয়ের হাহাকার, অসমাপ্ত উপন্যাসের মতই স্বপ্ন গুলো থেকে যাবে অপূর্ণ, ছেড়া কবিতার পাতার মতই অর্থহীন যত বেদনার সুর। জীবনের চাওয়া-পাওয়া গুলোর হিসাব না মিলিয়ে…
টেবিলে রেখেছে কে নিষিদ্ধ বোতল পাংশুটে চাঁদ উঁকি দিয়ে গেছে বিছানায়, আমি জানি না গান্ডিব থেকে কে ছুঁড়েছে তীর ঘন অন্ধকারে। পাঞ্জাবীর পকেটে বারুদে লেগেছে বিষ
পাহাড়কোলের খোলা মাঠে নববর্ষের বসে মেলা, সকাল-দুপুর-বিকেল শেষে মেলা গড়ায় সন্ধ্যেবেলা।
কালো মেঘ মনে করায় তাকে, যে আমাকে বৃষ্টির মতো কাঁদিয়েছিল একদিন। তুমুল বন্যায় ভেসে যায় কিশোরীর অঙ্কের বই। বৃষ্টির হঠাৎ আসায় অপ্রস্তুত চাষি ভারী রাগ করে,
একটা মেঘের মতো বিষাদের নীচে দাঁড়িয়ে আছেএকটা ছোট্ট পাখি। গান গাইছে না,সুর তুলছে না,কথা কইছে না। মিসাইলের বিষাক্ত ধোঁয়া তার গলা চেপে ধরেছে।
বৃষ্টি ভেজা শহর আজ তাকিয়ে আছে তোমার দিকে, খোঁজ নেওয়া হয় না রোজ, তবু আগলে রাখে সবটুকু সুখে। তোমার একাকিত্বের সঙ্গী হয়ে রাত জাগে আজো এই শহর, তোমার সাথেই পথ হাঁটে শ্রাবণের সব দীর্ঘশ্ব…
কিছু বৃষ্টি, কিছু স্মৃতির ফিসফাস, কিছু সময়ের চোরাবালি, কিছু নীরবতার দীর্ঘঃশ্বাস.... কিছু নোনাজল, কিছু ঝরাপাতাদের টুপটাপ,
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর, বৃষ্টি— আজ তোমায় পেলাম, সমস্ত স্নায়ু উজাড় করে নীরবে বুকে নিলাম। মনের গভীরে সঞ্চিত পরাগরেণু দিলাম তোমারই তরে, গ্রীষ্মের দাবানলের সঙ্গে কত লড়েছি অন্তরে।