কালো মেঘ মনে করায় তাকে,

যে আমাকে বৃষ্টির মতো কাঁদিয়েছিল একদিন।

তুমুল বন্যায় ভেসে যায় কিশোরীর অঙ্কের বই।

বৃষ্টির হঠাৎ আসায় অপ্রস্তুত চাষি ভারী রাগ করে,

ঠিক যেমনটা রাগ হয় খালপাড়ের মালতির,

অবাধ্য জল আজ যে তার ঘর ভাসিয়েছে।

করুণ চোখ আকাশ পানে অপেক্ষায় সূর্যের,

সবখাকী বৃষ্টি যে কেড়েছে প্রতিদিনের রোজগার।

বৃষ্টির জলতরঙ্গ অস্থির মনে শান্তির প্রলেপ দেয়।

পুড়তে থাকা গাছকে চুপি-চুপি বলে ‘আমি এসেছি’,

চিড়ে যাওয়া মাটি পায় তার সোঁদা গন্ধ।

দুই-হাত বাড়িয়ে বৃষ্টির সঙ্গে মাখামাখি যেন এক নিষিদ্ধ প্রেমের মতো,

যে প্রেম বড্ড আপন, কিন্তু লুকোনো থাকে মনের মধ্যে।

সবুজ কাজলের টানে বারবার ফিরে যাই বৃষ্টির কাছে,

কালো মেঘের বুকে সাদা ঝলক এক স্পর্ধার কথা বলে।

বৃষ্টি তুমি ভাল, বৃষ্টি তুমি খারাপ,

তুমি কখনও সাদা, কখনও তুমি কালো!