একটা মেঘের মতো বিষাদের নীচে
দাঁড়িয়ে আছেএকটা ছোট্ট পাখি।
গান গাইছে না,সুর তুলছে না,কথা কইছে না।
মিসাইলের বিষাক্ত ধোঁয়া তার গলা চেপে ধরেছে।
ও পাখি তুই কী করিস?চত্তির মাস চলে গেল
এখনো বাসা বাঁধবি না?তোর নাগর কই?
পাখি ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে থাকে।
সে যখন একটা ইস্কুলবাড়ির ওপর দিয়ে উড়ছিলো
তখন নীচে দেখে সার সার শিশু
সাদা কাপড় জড়িয়ে ঘুমিয়ে আছে মাঠের ওপর।
কিন্তু এখন তো ঘুমের সময় নয়!
পাখিটা ক –ত্ত ডাকাডাকি করলো!গান শোনালো
তবুও ওদের ঘুম ভাঙলো না।
আরে!ইস্কুল বাড়ি কোথায়? এতো একটা ভাঙাচোরা ভগ্নস্তুপ ! কালও তো এখানে বাড়িটা ছিলো? টিফিনের ঘন্টা পড়লো!বাচ্চারা।হৈ হৈ করে বেরিয়ে এলো!
হঠাৎ বিষাদ মেঘের বুক চিরে রক্ত বৃষ্টি হতে লাগল।
সাদা কাপড় জড়ানো শিশুগুলো ভিজে চুপচুপে লাল।
ওরা এক এক করে লাল টিউলিপ হয়ে
ফুটে উঠতে লাগল।মেঘ নিঃস্ব হয়ে গেল।।
পৃথিবীর শেষ যুদ্ধ থেমে গেছে ।
শুধু লাল টিউলিপের মাথায় মাথায় কান্নার অশ্রুরা
শিশির বিন্দুর মতো দিনের আলোয় ঝকমক করছে।
মন্তব্য (০)
লগ-ইন করুন মন্তব্য করতে।