সুমিতা চৌধুরী
২ লেখা
৬ পুরস্কার ১১ বই
জীবনী
সুমিতা চৌধুরী ১৯৭৩ সালের ১লা মে পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার সালকিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি শ্রী সলিল চ্যাটার্জ্জী ও শ্রীমতি অরুণা চ্যাটার্জ্জীর জ্যেষ্ঠ কন্যা। বর্তমানে তাঁর স্থায়ী নিবাস হাওড়া জেলার লিলুয়ায়। শিক্ষাজীবন অতিবাহিত হয়েছে সালকিয়ার কেদারনাথ বাবুলাল রাজগড়িয়া উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। ছাত্রাবস্থাতেই তিনি বিবাহসূত্রে আবদ্ধ হন এবং পরবর্তী জীবনে সংসার ও সাহিত্যচর্চাকে সমান্তরালভাবে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন।
শৈশব থেকেই সাহিত্য ছিল তাঁর জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। সাহিত্যপ্রেমী পিতা শ্রী সলিল চ্যাটার্জ্জীর সাহিত্যচর্চা তাঁকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে এবং তাঁর হাত ধরেই লেখালেখির জগতে প্রথম পদার্পণ। পরবর্তীকালে প্রয়াত স্বামী শ্রী বুলবুল চৌধুরীর সাহিত্যসাধনাও তাঁকে অনুপ্রাণিত করে। পরিবারের আন্তরিক সহযোগিতা ও উৎসাহে তিনি নিয়মিত সাহিত্যচর্চায় নিজেকে নিবেদিত করেন।
বর্তমানে বিভিন্ন ছোট-বড় সাহিত্যপত্রিকা, সংকলন ও সাময়িকীতে তাঁর লেখা নিয়মিত প্রকাশিত হয়। গল্প, কবিতা, মুক্তগদ্য, উপন্যাস ও উপন্যাসিকা তাঁর সাহিত্যসৃষ্টির প্রধান ক্ষেত্র হলেও নাটক ও প্রবন্ধ রচনাতেও তিনি দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।
এছাড়া ২০২৬ সালের বইমেলায় প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে তাঁর দুটি গল্পগ্রন্থ— *পথ-প্রান্তরের অণুকথা* এবং *কালের ইতিবৃত্ত*।
সাহিত্যচর্চায় তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি একাধিক সম্মান ও পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। এছাড়াও তিনি বহু ছোট-বড় সাহিত্য সম্মাননায় সম্মানিত হয়েছেন।
সাহিত্য তাঁর কাছে কেবল সৃষ্টির ক্ষেত্র নয়, জীবনবোধের এক গভীর প্রকাশ। মানুষের অনুভূতি, সমাজবাস্তবতা, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং জীবনের বহুরূপী অভিজ্ঞতা তাঁর লেখার প্রধান উপজীব্য। সাহিত্যসাধনার এই দীর্ঘ পথচলায় প্রাপ্ত সম্মান ও পাঠকের ভালোবাসাকেই তিনি আগামী দিনের সৃষ্টিশীলতার প্রেরণা ও পাথেয় হিসেবে মনে করেন।
শৈশব থেকেই সাহিত্য ছিল তাঁর জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। সাহিত্যপ্রেমী পিতা শ্রী সলিল চ্যাটার্জ্জীর সাহিত্যচর্চা তাঁকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে এবং তাঁর হাত ধরেই লেখালেখির জগতে প্রথম পদার্পণ। পরবর্তীকালে প্রয়াত স্বামী শ্রী বুলবুল চৌধুরীর সাহিত্যসাধনাও তাঁকে অনুপ্রাণিত করে। পরিবারের আন্তরিক সহযোগিতা ও উৎসাহে তিনি নিয়মিত সাহিত্যচর্চায় নিজেকে নিবেদিত করেন।
বর্তমানে বিভিন্ন ছোট-বড় সাহিত্যপত্রিকা, সংকলন ও সাময়িকীতে তাঁর লেখা নিয়মিত প্রকাশিত হয়। গল্প, কবিতা, মুক্তগদ্য, উপন্যাস ও উপন্যাসিকা তাঁর সাহিত্যসৃষ্টির প্রধান ক্ষেত্র হলেও নাটক ও প্রবন্ধ রচনাতেও তিনি দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।
এছাড়া ২০২৬ সালের বইমেলায় প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে তাঁর দুটি গল্পগ্রন্থ— *পথ-প্রান্তরের অণুকথা* এবং *কালের ইতিবৃত্ত*।
সাহিত্যচর্চায় তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি একাধিক সম্মান ও পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। এছাড়াও তিনি বহু ছোট-বড় সাহিত্য সম্মাননায় সম্মানিত হয়েছেন।
সাহিত্য তাঁর কাছে কেবল সৃষ্টির ক্ষেত্র নয়, জীবনবোধের এক গভীর প্রকাশ। মানুষের অনুভূতি, সমাজবাস্তবতা, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং জীবনের বহুরূপী অভিজ্ঞতা তাঁর লেখার প্রধান উপজীব্য। সাহিত্যসাধনার এই দীর্ঘ পথচলায় প্রাপ্ত সম্মান ও পাঠকের ভালোবাসাকেই তিনি আগামী দিনের সৃষ্টিশীলতার প্রেরণা ও পাথেয় হিসেবে মনে করেন।
পুরস্কার এবং স্বীকৃতি (৬)
| ক্র. | পুরস্কারের নাম | সংস্থা | সাল |
|---|---|---|---|
| ১ | সাহিত্য রত্ন সম্মান | দুটি সাহিত্যপত্রিকার | |
| ২ | রবীন্দ্র স্মৃতি স্মারক সম্মান | পশ্চিমবঙ্গ সাহিত্য সংসদের | |
| ৩ | নজরুল স্মৃতি স্মারক সম্মান | পশ্চিমবঙ্গ সাহিত্য সংসদের | |
| ৪ | কবি সুকান্ত স্মৃতি স্মারক সম্মান | পশ্চিমবঙ্গ সাহিত্য সংসদের | |
| ৫ | A Lit সম্মান | অন্বেষা | |
| ৬ | রবীন্দ্র-মাইকেল সম্মান | গৌর সাহিত্য পত্রিকা |
প্রকাশিত বই / গল্প (১১)
| ক্র. | বই-এর নাম | ধরণ | বইয়ের বিষয় | প্রকাশক | সাল |
|---|---|---|---|---|---|
| ১ | বৈধব্য | কবিতা | |||
| ২ | বিসর্জন | গল্প | |||
| ৩ | ব্যথার বিষে অশ্রু মিশে | উপন্যাস | |||
| ৪ | অভিশাপ | নাটক | |||
| ৫ | বিন্দুতে জোড়ো সিন্ধু | প্রবন্ধ | |||
| ৬ | রৌদ্র-ছায়া | কবিতা | ২০১৯ | ||
| ৭ | মন ঘরের রোদ-বৃষ্টি | কবিতা | |||
| ৮ | যাপনের রামধনু | গল্প | |||
| ৯ | পথের বাঁকে | গল্প | কলকাতা বইমেলা | ২০২৫ | |
| ১০ | আতঙ্ক | গল্প | ভূতের গল্পের বই | ||
| ১১ | শুধু তোমারই জন্য | কবিতা |
প্রকাশিত লেখা (২)
কবিতা
জীবন উপন্যাস
কিছু বৃষ্টি, কিছু স্মৃতির ফিসফাস, কিছু সময়ের চোরাবালি, কিছু নীরবতার দীর্ঘঃশ্বাস.... কিছু নোনাজল, কিছু ঝরাপাতাদের টুপটাপ,