চন্দ্রানী মজুমদার উত্তর ২৪ পরগনা জেলার মছলন্দপুরের বাসিন্দা। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। শৈশব থেকেই সাহিত্য ও লেখালেখির প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগ। সেই ছোটবেলার ভালোবাসাই পরবর্তীকালে তাঁর জীবনের অন্যতম সৃজনশীল সঙ্গী হয়ে ওঠে।
বর্তমানে সরকারি চাকরির দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি তিনি নিয়মিত সাহিত্যচর্চা করে চলেছেন। কর্মজীবনের ব্যস্ততার মধ্যেও লেখালেখির প্রতি তাঁর নিষ্ঠা ও ভালোবাসা তাঁকে এক বহুমাত্রিক লেখক হিসেবে পরিচিতি দিয়েছে।
এখন পর্যন্ত তাঁর **৯টি একক গ্রন্থ** প্রকাশিত হয়েছে। সাহিত্যের বিভিন্ন ধারায় তাঁর স্বচ্ছন্দ বিচরণ। শিশু-কিশোরদের জন্য গল্প থেকে শুরু করে ভৌতিক ও রোমাঞ্চকর গল্প, থ্রিলার, সামাজিক গল্প, প্রবন্ধ এবং ভ্রমণকাহিনি— নানা ধরনের লেখায় তিনি নিজস্ব দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। বিষয়ের বৈচিত্র্য এবং সহজ, সাবলীল লেখনী তাঁর সৃষ্টির অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
বিভিন্ন সাহিত্যপত্রিকা, পত্র-পত্রিকা এবং গল্প ও প্রবন্ধসংকলনে তাঁর লেখা নিয়মিত প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর একক গ্রন্থ সাহিত্যাঙ্গনে প্রশংসিত হয়েছে এবং লেখালেখির স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি সম্মাননা লাভের পাশাপাশি রয়্যালটিও পেয়েছেন।
সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি ভ্রমণ তাঁর অন্যতম প্রিয় অনুষঙ্গ। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে দেখা, নতুন মানুষ ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়া এবং সেই অভিজ্ঞতাকে হৃদয়ে ধারণ করা তাঁর সৃষ্টিশীলতাকে আরও সমৃদ্ধ করে। পাশাপাশি ভালো বই পড়ার প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসা রয়েছে।
চন্দ্রানী মজুমদারের কাছে সাহিত্য কেবল অবসর বিনোদন নয়, বরং জীবনকে দেখা, অনুভব করা এবং নিজের অভিজ্ঞতাকে শব্দের মাধ্যমে পাঠকের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার এক আন্তরিক মাধ্যম। সরকারি চাকরি ও সাহিত্যসাধনা— দুই দায়িত্বকে সমান নিষ্ঠায় এগিয়ে নিয়ে তিনি আজও নিরন্তর সৃষ্টির পথে এগিয়ে চলেছেন।