কবিতা

শব্দের ছন্দে মনের অনুভূতির প্রকাশ—প্রেম, প্রকৃতি, সময় ও জীবনের নানা দিক নিয়ে হৃদয়ছোঁয়া কবিতার এক অনন্য সংগ্রহ।

সব লেখা

অনেক অনেক অপেক্ষা

পাঁপড়িরাও ঝরে পড়ে। পঞ্চ পল্লবে সাজিয়েছ যে আনন, তার থেকেও জল ঝরে। হোগলার বনে বনে জ্বলে ওঠে দাউ দাউ দাহ। তপনে তপনে শুরু হয় খেলা। এ খেলায় তুমি আমি কেউ নই। কোন দায় দায়িত্ব নেই আ…

সমর্পণ

হে দেবীনয়নী, তব দর্শনে জাগে মম প্রাণ; যেন সান্ধ্য-অম্বরে জ্বলে অনন্ত প্রেমের আলোক। তব সুখসম্ভার লভুক চিরদিন দিব্য ত্রাণ; মম ভাগ্যে থাকুক শুধু বিরহ-বিধুর শোক।।

গরমিলের হিসাব

সেদিন ভোরে, খুব ভোরে, হঠাৎ ভাঙল ঘুম, গবাক্ষের আড়ালে চেনা পৃথিবী—নিঃশব্দ, নিঝুম। সূর্যাস্ত, সূর্যোদয়, রাত-দিনের খেলায়, আমার আমিটাও কেমন যেন ভাসছে স্রোতের ভেলায়।

উড়াল - সংস্কারভাঙা মুক্তিতে

সংস্কারবিহীন শব্দের মতো এসো নৈঃশব্দ্যের বাগানে আমূল তছনছ করা , সমস্ত প্লাবিত করা আলোয় ভালোবাসা গো বিনীত একান্ত লাজে রাঙা স্পর্ধায় স্নায়ু ছুঁয়ে তুলে আনা গভীরের সুর , কোষের খঞ্জন…

বিরোধাভাস

প্রতিটি স্পর্শের ভেতর নোনা স্রোত, বন জ্যোৎস্নার/ ঢল। অদ্ভুত মাদকতা এক বিশীর্ণ পাতার খসখস। / শেকড়ে আলোর ঘ্রাণ রহস্যের মায়াজাল যেন / শূন্যে মরুৎ ব্যোম পাহাড়ি উপত্যকায়

কবিতার বেরঙিন পুঁতি

এক একটা বেরঙিন পুঁথি দিয়ে তৈরি করি কবিতার মালা। রং বেরঙিন দুনিয়া থেকে তুলে আনি মুক্তা, এক একটি কবিতার পুঁতি। তার কোনোটিতে আছে কাদামাটির গন্ধে ভেজা, রোজ ঝড়-বৃষ্টিতে পোড়া কিছু পু…

লাউফুল

জানালা দিয়ে দেখি আঁকড়ে আঁকড়ে বাড়ন্ত হচ্ছে লাউগাছ শিশিরে লাউফুলের দিকে তাকালে ঠাকুমার হাসি মনে পড়ে পোস্তর সঙ্গে কচি লাউপাতার ভর্তা গরম ভাতে খেতে ভালবাসত ঠাকুমা ঠাকুমা বলতো, মনে…

শৈশবের দূর্গা পূজা

শৈশবের পূজোয় ছিল নতুন জামার গন্ধ পাঁচটি দিনের দারুন মজা বই পড়া বন্ধ। পূজোর দিনে সন্ধ্যা বেলায় ঠাকুর দেখার ধূম, মনে ছিল খুশির জোয়ার থাকতো না চোখে ঘুম।