পিচঢালা চোখে আতর লাগিয়ে হেঁটে যাওয়া দ্রাবিড়,

দুঃখ পোষে নানা রঙের আগুন;

নিভে গেলে একদিন—

দাওয়ায় বসে সুপুরি কাটে, হাতের যোগব্যায়াম যেন।

তোমাকে পড়ায় হারানো কৌশল, শীত-গন্ধ;

নাকের নাকফুলে জড়তা জমে বৈষ্ণব দিনে।

প্রেম এখানে বাসাবাড়ি করে বনসাই যেন—

অসুখ ফুলের মতো পাঁপড়ি ধরে ঝরে পড়ে,

আমন্ত্রণে এসে শখগুলো তোমার কাগজ জমায়।

শেফালি সৌন্দর্য

খালি চেয়ে থেকে পার হয়ে যায় কাগজের নৌকো,

আর হাতের আঙুল ধরে সংসারে উদ্বাস্তু রোদ।

ফুলের স্বয়ং ত্রাতা ও তরুণীর মতো—

চিঠি খুলে পৌঁছে যায়

কেমন

বিগ্রহে।

আর আমি কেবল সাদা দড়ি আর ডার্টবোর্ড গেম নিয়ে

বাহাস করতে বসি অসময়ের আদুলি দিয়ে।

শামুক ও ফুল

নিজের বেড়াজালে বাসা করে না-পাওয়া;

শেফালি ফুলের ঘ্রাণে হাঁটি হাঁটি সমস্ত পথ—

আর ক্লান্ত আগুনের ছায়া নিয়ে ভেঙে পড়ে।

নিজের চোখে প্রেম পাহারা বসায়।

নীল চোখের কাঁচা দেয়াল, বিতরণে যেন

তোমার আঁচলে অসুখ পোষা হযবরল দিন;

শামুকের মতো হেঁটে চলে যায় ফুলের বাগান।