রাজেন্দ্র কয়াল

Newcomer Author
৩ লেখা ৯ বই ৪ ম্যাগাজিন
জীবনী
রাজেন্দ্র কয়াল। জন্ম ও বেড়ে ওঠা কলকাতার ১ নং হাটগাছিয়া, ধাপা রোড, কলকাতা–১০৫ এলাকায়। আদি নিবাস পশ্চিম মেদিনীপুর। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ শিক্ষা পর্ষদের অধীনে বিজ্ঞান বিভাগে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র। পড়াশোনার ব্যস্ততার মাঝেও শব্দের সঙ্গে এক নীরব সখ্য গড়ে উঠেছে ছোটবেলা থেকেই। মনের অপ্রকাশিত অনুভূতি, প্রকৃতির নিঃশব্দ সৌন্দর্য এবং মানুষের অন্তর্লীন আবেগ— এই তিনের মেলবন্ধনেই খুঁজে পাই লেখার অনুপ্রেরণা। কবিতা, ছোটগল্প ও অনুভূতির লেখার মাধ্যমে নিজের ভাবনাকে প্রকাশ করার এক ছোট্ট প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত। পাশাপাশি নাট্যচর্চার সঙ্গেও যুক্ত রয়েছি এবং বহু নাটকে মঞ্চাভিনয়ের সুযোগ পেয়েছি। শ্রী নারায়ণ দেবনাথের সম্পাদনায় আয়োজিত বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও অংশগ্রহণ করেছি। শিল্প ও সাহিত্যের প্রতি ভালোবাসাই বরাবর আমাকে নতুন কিছু সৃষ্টির সাহস জুগিয়েছে। সম্প্রতি সত্যজিৎ কবিতা বইতেও আমার লেখা প্রকাশিত হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিদিনের কবিতা ই-ম্যাগাজিনে নিয়মিতভাবে আমার কবিতা প্রকাশিত হয়ে থাকে। শব্দের ভেতরেই যেন খুঁজে পাই নিজের এক অন্য পরিচয়— যেখানে অনুভূতিরা নীরবে কবিতার রূপ নেয়।
ভবিষ্যতেও আরও বিভিন্ন সাহিত্যপত্র ও প্রকাশনার সঙ্গে যুক্ত হয়ে সাহিত্যচর্চাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার পক্ষ থেকেও ভবিষ্যতে এমন সুন্দর সুযোগ পাবো— এই আশাই রাখি। আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও অসংখ্য ধন্যবাদ।
প্রকাশিত বই / গল্প (৯)
ক্র.বই-এর নামধরণবইয়ের বিষয়প্রকাশকসাল
শব্দসাথী
খোঁজ
মাটির গন্ধ
কাব্য গগন
শব্দস্রোত
দৈনিক সাহিত্য পরিষদ
অচেনা অনুভূতি
অঙ্কুর
বইগল্প
ম্যাগাজিন / পত্রিকা (৪)
মনীষা পত্রিকা
দোলনচাঁপা
শারদ
পদাতিক

প্রকাশিত লেখা (৩)

অনুগল্প

শেষ বাঁশির সুর

"পাহাড় কখনও মানুষের সঙ্গে কথা বলে না। তবু যারা মন খুলে শোনে, তারা জানে—বাতাস, বৃষ্টি আর নীরবতারও নিজস্ব ভাষা আছে।" কলকাতার একঘেয়ে কোলাহল থেকে কয়েক দিনের মুক্তি খুঁজছিল তিন বন্ধু…

রাজেন্দ্র কয়াল
অনুগল্প

অবুঝ দূরত্ব

বসন্তের শেষ বিকেল। গ্রামের পথের ধারে শিমুলগাছের ছায়ায় দাঁড়াইয়া ছিল অয়ন। তাহার দৃষ্টি বারবার গিয়া পড়িতেছিল পথের বাঁকে। সেই পথ দিয়াই প্রতিদিন বিদ্যালয় হইতে ফিরিত মেঘলা। প্রথম পরিচয় ছ…

রাজেন্দ্র কয়াল
কবিতা

অন্ত নীড়ে

ভবের মাঝে নিত্য মেলা দেখি, সবে করে লীলা! আমি ভায়া ভুলই বুঝি, নচেত্ করে সবে অবহেলা।

রাজেন্দ্র কয়াল