শিশির কুমার মল্লিক
১ লেখা
জীবনী
প্রায় ১৯৬৫–৭০ সাল থেকে কবিতা, গল্প ও প্রবন্ধ লেখার মধ্য দিয়ে সাহিত্যচর্চায় প্রবেশ শিশির কুমার মল্লিকের। তাঁর সাহিত্যজীবনের সূচনাপর্বে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন কবি দিনেশ দাশ ও কবি পবিত্র মুখোপাধ্যায়—যাঁরা তাঁর স্কুলজীবনের শিক্ষক ছিলেন। শিক্ষকদের সান্নিধ্য ও সাহিত্যপ্রেম তাঁর লেখকসত্তাকে বিকশিত হওয়ার প্রাথমিক ভিত্তি তৈরি করে দেয়।
দীর্ঘদিন ধরে তিনি কবিতা, গল্প ও প্রবন্ধ রচনা করে চলেছেন। তাঁর লেখা বাংলা তথা ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। একইসঙ্গে বাংলাদেশের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকাতেও তাঁর সাহিত্যকর্ম প্রকাশিত হয়েছে। ফলে তাঁর সাহিত্যচর্চার পরিসর ভৌগোলিক সীমানা পেরিয়ে বৃহত্তর বাংলা ভাষাভাষী পাঠকের কাছে পৌঁছেছে।
সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি ভারতীয় রেলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও তিনি দীর্ঘদিন নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছেন। কর্মজীবনের ব্যস্ততা ও দায়িত্বের মধ্যেও সাহিত্যকে কখনও দূরে সরিয়ে রাখেননি। বরং পেশাগত জীবনের সঙ্গে সমান্তরালভাবে তাঁর কলমও এগিয়ে চলেছে নিজস্ব ছন্দে।
ভারতীয় রেল থেকে অবসর গ্রহণের পরও তাঁর সাহিত্যচর্চায় কোনো ছেদ পড়েনি। আজও কবিতা, গল্প ও প্রবন্ধের মধ্য দিয়ে তিনি নিজের ভাবনা, অনুভব ও জীবনদর্শনকে শব্দে রূপ দিয়ে চলেছেন। দীর্ঘ কয়েক দশকের এই নিরবচ্ছিন্ন সাহিত্যযাত্রাই শিশির কুমার মল্লিকের লেখকসত্তার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিচয়।
দীর্ঘদিন ধরে তিনি কবিতা, গল্প ও প্রবন্ধ রচনা করে চলেছেন। তাঁর লেখা বাংলা তথা ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। একইসঙ্গে বাংলাদেশের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকাতেও তাঁর সাহিত্যকর্ম প্রকাশিত হয়েছে। ফলে তাঁর সাহিত্যচর্চার পরিসর ভৌগোলিক সীমানা পেরিয়ে বৃহত্তর বাংলা ভাষাভাষী পাঠকের কাছে পৌঁছেছে।
সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি ভারতীয় রেলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও তিনি দীর্ঘদিন নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছেন। কর্মজীবনের ব্যস্ততা ও দায়িত্বের মধ্যেও সাহিত্যকে কখনও দূরে সরিয়ে রাখেননি। বরং পেশাগত জীবনের সঙ্গে সমান্তরালভাবে তাঁর কলমও এগিয়ে চলেছে নিজস্ব ছন্দে।
ভারতীয় রেল থেকে অবসর গ্রহণের পরও তাঁর সাহিত্যচর্চায় কোনো ছেদ পড়েনি। আজও কবিতা, গল্প ও প্রবন্ধের মধ্য দিয়ে তিনি নিজের ভাবনা, অনুভব ও জীবনদর্শনকে শব্দে রূপ দিয়ে চলেছেন। দীর্ঘ কয়েক দশকের এই নিরবচ্ছিন্ন সাহিত্যযাত্রাই শিশির কুমার মল্লিকের লেখকসত্তার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিচয়।