জ্যোতিব্রত চক্রবর্তী
১ লেখা
২ বই ৩ ম্যাগাজিন
জীবনী
দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটের চকভৃগুর বাসিন্দা জ্যোতিব্রত চক্রবর্তীর সৃজনযাত্রার শুরু ছবি আঁকার মধ্য দিয়ে। পরবর্তীতে নাট্যচর্চায় যুক্ত হন এবং অভিনয়ের মাধ্যমে মঞ্চের সঙ্গে গড়ে ওঠে তাঁর নিবিড় সম্পর্ক। ‘বালুরঘাট নাট্য একাডেমী’-র সঙ্গে যুক্ত হয়ে তাঁর প্রথম অভিনীত নাটক ‘ইন্টারভিউ’, যা শতবর্ষ উদযাপনের প্রেক্ষিতে বালুরঘাট জেলা গ্রন্থাগারে মঞ্চস্থ হয়। পরবর্তীতে ১৮ আগস্ট ২০১৪ সালে এবং ১৮ জানুয়ারি ২০১৫ সালে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বইমেলায় নাটকটির পুনর্মঞ্চায়ন হয়।
নাট্যচর্চার পাশাপাশি নাট্যনির্মাণের বিভিন্ন ক্ষেত্রেও তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ রয়েছে। ২০১৬ সালের ১৬ জুন ‘মুক্তির ডাক’ নাটকে সহ-পরিচালক হিসেবে কাজ করেন। ২০১৮ সালের ৫ নভেম্বর দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পুলিশের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘বয়স তিন’ নাটকে অভিনয় করেন। ‘সেভ ড্রাইভ, সেভ লাইফ’ বিষয়কে কেন্দ্র করে নির্মিত এই নাটক তাঁর নাট্যজীবনের উল্লেখযোগ্য অভিজ্ঞতাগুলির একটি।
২০১৮ সাল থেকে তাঁর সাহিত্যচর্চার অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র হয়ে ওঠে কবিতা। ২০১৯ সালে কলকাতার ‘ইসামন’ মাসিক সাহিত্য পত্রিকায় তাঁর কবিতা প্রকাশিত হয়। একই সময়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা গ্রন্থাগারের ‘সৃজন’ ওয়াল ম্যাগাজিন এবং কলকাতার ‘সাতকাহন পাবলিকেশন’-এও তাঁর কবিতা প্রকাশিত হয়। এরপর জেলা ও জেলার বাইরের বিভিন্ন পূজা সংখ্যায় তাঁর কবিতা ও নৃত্যনাট্যের লেখা প্রকাশ পেতে থাকে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বইমেলার বিভিন্ন স্মরণিকাতেও নিয়মিত প্রকাশিত হয়েছে তাঁর কবিতা।
কবিতাপাঠের ক্ষেত্রেও তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি রয়েছে। শান্তিনিকেতনে ‘কালের খবর’ সাহিত্য অনুষ্ঠানে কবিতা পাঠের পাশাপাশি বালুরঘাটে সরকারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা উদযাপন অনুষ্ঠানেও তিনি কবিতা পাঠ করেছেন। মঞ্চ, নাটক ও কবিতার এই বহুমাত্রিক অভিজ্ঞতা তাঁর সৃজনশীলতার পরিসরকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।
দীর্ঘদিনের সাহিত্যচর্চার পর ২০২৫ সালে পুনশ্চ পাবলিকেশন-এর হাত ধরে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম একক কাব্যগ্রন্থ ‘পড়ো তো শুনি’। ছবি আঁকা থেকে নাট্যচর্চা, অভিনয় ও নাট্যনির্মাণ পেরিয়ে কবিতার নিজস্ব ভুবনে জ্যোতিব্রত চক্রবর্তীর এই পথচলা আজও অব্যাহত—সৃজনশীলতার নানা মাধ্যমকে সঙ্গে নিয়ে।
নাট্যচর্চার পাশাপাশি নাট্যনির্মাণের বিভিন্ন ক্ষেত্রেও তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ রয়েছে। ২০১৬ সালের ১৬ জুন ‘মুক্তির ডাক’ নাটকে সহ-পরিচালক হিসেবে কাজ করেন। ২০১৮ সালের ৫ নভেম্বর দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পুলিশের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘বয়স তিন’ নাটকে অভিনয় করেন। ‘সেভ ড্রাইভ, সেভ লাইফ’ বিষয়কে কেন্দ্র করে নির্মিত এই নাটক তাঁর নাট্যজীবনের উল্লেখযোগ্য অভিজ্ঞতাগুলির একটি।
২০১৮ সাল থেকে তাঁর সাহিত্যচর্চার অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র হয়ে ওঠে কবিতা। ২০১৯ সালে কলকাতার ‘ইসামন’ মাসিক সাহিত্য পত্রিকায় তাঁর কবিতা প্রকাশিত হয়। একই সময়ে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা গ্রন্থাগারের ‘সৃজন’ ওয়াল ম্যাগাজিন এবং কলকাতার ‘সাতকাহন পাবলিকেশন’-এও তাঁর কবিতা প্রকাশিত হয়। এরপর জেলা ও জেলার বাইরের বিভিন্ন পূজা সংখ্যায় তাঁর কবিতা ও নৃত্যনাট্যের লেখা প্রকাশ পেতে থাকে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বইমেলার বিভিন্ন স্মরণিকাতেও নিয়মিত প্রকাশিত হয়েছে তাঁর কবিতা।
কবিতাপাঠের ক্ষেত্রেও তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি রয়েছে। শান্তিনিকেতনে ‘কালের খবর’ সাহিত্য অনুষ্ঠানে কবিতা পাঠের পাশাপাশি বালুরঘাটে সরকারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা উদযাপন অনুষ্ঠানেও তিনি কবিতা পাঠ করেছেন। মঞ্চ, নাটক ও কবিতার এই বহুমাত্রিক অভিজ্ঞতা তাঁর সৃজনশীলতার পরিসরকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।
দীর্ঘদিনের সাহিত্যচর্চার পর ২০২৫ সালে পুনশ্চ পাবলিকেশন-এর হাত ধরে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম একক কাব্যগ্রন্থ ‘পড়ো তো শুনি’। ছবি আঁকা থেকে নাট্যচর্চা, অভিনয় ও নাট্যনির্মাণ পেরিয়ে কবিতার নিজস্ব ভুবনে জ্যোতিব্রত চক্রবর্তীর এই পথচলা আজও অব্যাহত—সৃজনশীলতার নানা মাধ্যমকে সঙ্গে নিয়ে।
প্রকাশিত বই / গল্প (২)
| ক্র. | বই-এর নাম | ধরণ | বইয়ের বিষয় | প্রকাশক | সাল |
|---|---|---|---|---|---|
| ১ | কৃষ্টি বীণা | ||||
| ২ | পড়ো তো শুনি | একক কাব্যগ্রন্থ | পুনশ্চ পাবলিকেশন | ২০২৫ |
ম্যাগাজিন / পত্রিকা (৩)
‘ইসামন
সৃজন
সাতকাহন পাবলিকেশন